বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকিয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ঠেকাল ইসরায়েল!
অনলাইন ডেস্ক
ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র বৃহস্পতিবার ভোরে ইসরায়েল অভিমুখে ধেয়ে এলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। মধ্য ইসরায়েল ও জেরুজালেমের আকাশে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত হতেই সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। তবে সময়মতো ব্যবস্থা নিয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সফলভাবে তা ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড আদম জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি—এটি বড় স্বস্তির খবর।
সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে লোহিত সাগরে। কয়েক মাসের বিরতির পর তারা আবারও বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ শুরু করেছে। রবিবার থেকে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতিরা। সোমবার ও মঙ্গলবার তারা ‘এটারনিটি সি’ নামের একটি মালবাহী জাহাজে সরাসরি হামলা চালায়। এতে চারজন প্রাণ হারান এবং জাহাজটি ডুবে যায়।
হুতিদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটারনিটি সি জাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান ইসরায়েলের এলিয়াত বন্দরের সঙ্গে ব্যবসা পুনরায় শুরু করায় তাদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। শুধু এটিই নয়, তারা ‘ম্যাজিক সিজ’ নামের একটি গ্রিক পতাকাবাহী জাহাজেও গুলিবর্ষণ ও গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। জাহাজটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নাবিকরা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে তীরে পৌঁছেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েল-ইরান সরাসরি সংঘর্ষের ইতি ঘটলেও হুতিদের এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক জলপথে আবারও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। এতে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে।
তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় একটি বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বেঁচে গেছে দেশটি। গণমাধ্যম বলছে, ইসরায়েল এখন হুতিদের এসব হামলা প্রতিহত করতে আরও শক্ত প্রতিরক্ষা কৌশল নিতে যাচ্ছে।