রমজান মাসে রোজার সময় নির্ধারিত হয় ফজরের সূচনা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভিত্তিতে। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের ভিন্নতার কারণে রোজার সময়ও দেশভেদে পরিবর্তিত হয়। চলতি বছরে কোন
বিশ্বজুড়ে এক বিলিয়নেরও বেশি মুসলমান অধীর প্রতীক্ষায় রয়েছেন পবিত্র রমজান ২০২৬-এর জন্য। আত্মসংযম, তাকওয়া ও ইবাদতের এই মাস প্রতিবছর ভিন্ন ঋতুতে আসে, ফলে রোজার সময়কালেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক
রমজান এলেই সিয়াম সম্পর্কিত নানা মাসআলা ও জিজ্ঞাসা আলোচনায় আসে। দৈনন্দিন জীবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া, বমি ভাব, মাথা ঘোরা অথবা শারীরিক দুর্বলতার মতো পরিস্থিতি অনেক সময় রোজাদারকে উদ্বিগ্ন করে
বরকত ও রহমতে পরিপূর্ণ মাহে রমজান মানবজীবনে আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির অনন্য সুযোগ এনে দেয়। এই মাসে সংযমী জীবনচর্চার মাধ্যমে মানুষের আত্মা পবিত্রতা লাভ করে এবং হৃদয়ে জাগে নৈতিক জাগরণ। পবিত্র
রমজান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য এক অমূল্য নেয়ামত। এই পবিত্র মাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো— এটি তিনটি পর্বে বিভক্ত। প্রথম দশ দিন রহমতের, দ্বিতীয় দশ দিন মাগফিরাতের এবং শেষ
আত্মশুদ্ধি, সংযম ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জনের সর্বোত্তম সময় মাহে রমজান। মর্যাদাপূর্ণ এই মাসে ভোরের সাহরি থেকে সন্ধ্যার ইফতার, দিনের রোজা থেকে রাতের তারাবিহ— প্রতিটি ইবাদতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে দোয়া
বিয়ে মানুষকে শালীনতা, পবিত্রতা ও পরিপূর্ণ জীবনযাপনের পথে পরিচালিত করে। মানব সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকেই বিয়ের বিধান প্রচলিত। ইসলামে বিয়েকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতপূর্ণ একটি ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যে
রজব মাসের শেষ দিন আজ। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের (১৪৪৭ হিজরি) পবিত্র রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯
মানুষের জীবন কখনোই একরকম থাকে না। কোনো সময় চারদিকে সুখ ও স্বস্তির আবহ বিরাজ করে, আবার হঠাৎ করেই দুঃখ-কষ্টের তীব্র ঝড় জীবনের সবকিছু এলোমেলো করে দেয়। কখনো সংসারে কলহ, রিজিকের
অনেক মানুষ ঘরের ভেতর কিংবা বাথরুমে একা থাকলে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় স্বাচ্ছন্দ্যে গোসল করে থাকেন। বিষয়টি অনেকের কাছে একেবারেই সাধারণ মনে হলেও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে এটি মোটেও হালকাভাবে দেখার মতো নয়।