1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
খাওয়ার আনন্দে অস্বস্তি? ঈদের পর শরীর সামলান সহজেই - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

খাওয়ার আনন্দে অস্বস্তি? ঈদের পর শরীর সামলান সহজেই

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
  • ২১১ বার পঠিত
ঈদের পর সুস্থ থাকবেন যেভাবে

ঈদের খাওয়ায় পেট ভার? এই উপায়েই মিলবে আরাম!
অনলাইন ডেস্ক

ঈদ মানেই উৎসব, আর উৎসব মানেই যেন পাতে বাহারি সব সুস্বাদু খাবার! বিরিয়ানির গন্ধে মন হেলে পড়ে, কোরমা-রেজালার তেলেভাজা লোভে সংযমের দেয়াল ভেঙে পড়ে মুহূর্তেই। পায়েস, সেমাই আর মিষ্টির ছড়াছড়িতে তখন যেন পেট নয়—একটা উৎসবের ভাণ্ডার! কিন্তু এই অতিরিক্ত খাওয়ার আনন্দই যদি হয়ে দাঁড়ায় শরীরের যন্ত্রণা, তবে কেমন হয়?

ঈদের দিনটা আনন্দে ভরপুর থাকলেও, অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে অনেকেই পরে পড়েন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে। হঠাৎ করে গ্যাস্ট্রিক, পেট ফুলে ওঠা, হজমে গণ্ডগোল কিংবা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট—এসব যেন ঈদের খুশির মাঝেই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই খাবারের স্বাদ উপভোগ করলেও কিছু সতর্কতা মেনে চলাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

সবচেয়ে আগে যা করতে হবে তা হলো—একটু শান্ত হওয়া। অতিরিক্ত খাওয়ার পর গরম ও ভিড়ের পরিবেশে থাকলে শরীর আরও বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই ঠান্ডা, শান্ত পরিবেশে কিছু সময় বসে থাকুন। এতে শরীর ধীরে ধীরে ভারসাম্য ফিরে পাবে।

শুধু বসে থাকলেই চলবে না—হালকা হাঁটাচলার মাধ্যমে শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে হবে। মনে রাখবেন, খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া মানে হজমের পথে বড় বাঁধা। তাই অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধীরে হাঁটুন। এতে হজম ভালো হবে এবং পেটের অস্বস্তিও অনেকটাই কমবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পানি পান। কিন্তু এক গ্লাস ঠান্ডা পানি গড়িয়ে না দিয়ে বরং ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে পানি খান। এতে শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকবে, হজমে সহায়তা মিলবে, এবং গ্যাস্ট্রিকের আশঙ্কাও কমবে। তবে ভুলেও কোমল পানীয়ের দিকে হাত বাড়াবেন না। এসব পানীয় পেটের গ্যাস আরও বাড়িয়ে তোলে, ফলাফল—পেট ফুলে ওঠা, ঢেকুর আর অস্বস্তির দঙ্গল।

যদি তারপরও গ্যাস বা অস্বস্তির মাত্রা বাড়তে থাকে, তাহলে এক-আধটা গ্যাসের ওষুধ খাওয়া যেতে পারে, তবে সেটিও খাবার অন্তত ৩০ মিনিট পর। নিজের ইচ্ছামতো ওষুধ গিলে ফেলা কখনই নিরাপদ নয়।
আর যদি লক্ষণ আরও জটিল হয়ে পড়ে—যেমন শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা কিংবা বমি ভাব আসে, তাহলে আর দেরি নয়, সোজা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ঈদ মানেই পরিবার, আনন্দ আর ভালোবাসায় ভরা দিন। কিন্তু খাবারে সংযম না থাকলে এই আনন্দটা যেন পেটের মধ্যে গুমরে মরতে বসে! তাই উৎসবের মাঝে একটুখানি সচেতনতা আপনাকে দিতে পারে স্বস্তির ঈদ—যেখানে খাবারের স্বাদও উপভোগ করবেন, আর শরীরও থাকবে ফুরফুরে। মনে রাখবেন, খাবারে সংযম মানেই ঈদের আনন্দে দীর্ঘস্থায়ী সুখ!

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..