বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক ,
মানবিক কারণে অসহায় গাজাবাসীর জন্য ত্রাণ পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানবাধিকার কর্মীরা। তবে ইসরায়েলি নৌ কমান্ডোরা তাদের থামিয়ে দেয়। আটক করা হয় প্রায় ৫০০ মানবাধিকার কর্মীকে।
মোট ৪৫টি জাহাজ নিয়ে তারা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ ব্যানারে গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে পুরো বহরকে আটক করে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের হাতে আটককৃতদের মধ্যে ১৪১ জনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকিরা এখনও কারাগারে রয়েছেন।
এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন সুইডিশ অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। তাকে নেগেভের কেৎজিওত কারাগারে আটক করা হয়েছে। সুইডিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গ্রেটা মারাত্মক পানিশূন্যতায় ভুগছেন, পর্যাপ্ত খাবার ও পানি পাচ্ছেন না। কারাগারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ছারপোকা ও শক্ত মেঝেতে দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাকে জোর করে পতাকা হাতে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলার কথাও জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক চাপের পর ইসরায়েল শনিবার অন্তত ১৩৭ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়ে তুরস্কে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জর্ডান, কুয়েত, লিবিয়া, আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া, মালয়েশিয়া, বাহরাইন, মরক্কো, সুইজারল্যান্ড, তিউনিশিয়া ও তুরস্কের নাগরিক রয়েছেন। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে অন্তত ৩৬ জন তুর্কি নাগরিক। বাকিরা নিজেদের দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে দেশে ফিরবেন।
ইসরায়েলের দাবি, ফ্লোটিলা কর্মীরা খুব অল্প ত্রাণসামগ্রী বহন করেছিলেন এবং ইসরায়েলের মাধ্যমে তা গাজায় পাঠাতে রাজি হননি। আন্তর্জাতিক মহল এ অভিযানে ইসরায়েলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।