1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
গাজায় গণহত্যা: ২০ হাজার শিশু ও ১২ হাজার নারী নিহত - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

গাজায় গণহত্যা: ২০ হাজার শিশু ও ১২ হাজার নারী নিহত

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৭ বার পঠিত
গাজায় গণহত্যা

গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত ৭০০ দিনের সামরিক আগ্রাসনে প্রায় সমগ্র ভূখণ্ড নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে। গাজা প্রশাসনের গণমাধ্যম শাখার তথ্যে বলা হয়েছে, অবকাঠামোর অন্তত ৯০ শতাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৬ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। খবর জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এ হামলা কেবল ধ্বংসযজ্ঞ নয়, বরং পরিকল্পিত গণহত্যা ও জোরপূর্বক স্থানচ্যুতির অংশ। এখন পর্যন্ত নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৩ হাজার ৭০০ জনে। এর মধ্যে ২০ হাজার শিশু ও ১২ হাজার ৫০০ নারী। অন্তত ২ হাজার ৭০০ পরিবার সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার ৬৭০ চিকিৎসাকর্মী, ২৪৮ সাংবাদিক, ১৩৯ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং ১৭৩ পৌরসভার কর্মকর্তা। আরও অন্তত ১ লাখ ৬২ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকে অঙ্গচ্ছেদ, পক্ষাঘাত কিংবা দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে আজীবনের জন্য অক্ষম হয়ে পড়েছেন।

ইসরায়েলি হামলায় ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ ও ১৬৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। পাশাপাশি হাজারো সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

গাজা প্রশাসনের অভিযোগ, কেবল ঘরবাড়ি ভেঙেই ইসরায়েল থেমে নেই, বরং গাজা সিটি ও উত্তরাঞ্চলের অধিবাসীদের ঘরে ফেরার সুযোগও দিচ্ছে না। একই সঙ্গে খাদ্য অবরোধ চালিয়ে ‘ক্ষুধাকে অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শত শত ত্রাণবাহী ট্রাক আটকে দেওয়া হয়েছে। এতে ২৪ লাখ মানুষ, যার মধ্যে ১০ লাখ শিশু, দুর্ভিক্ষের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

গণমাধ্যম শাখা ইসরায়েলের মিত্র রাষ্ট্রগুলোকে, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রকে, এ হামলার জন্য দায়ী করেছে। তারা আরব ও ইসলামি দেশগুলোসহ আন্তর্জাতিক মহল ও জাতিসংঘকে আহ্বান জানিয়েছে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করা, অবরোধ তুলে নেওয়া, বাস্তুচ্যুতদের ঘরে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ইসরায়েলি নেতাদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আওতায় আনার জন্য।

এদিকে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) গাজায় ‘গণহত্যার যুদ্ধের’ ৭০০তম দিনে নিহতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৩০০ ছাড়ায়। পুরো এলাকা এখন দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি।

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সঙ্গে দেশটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..