1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
দই খাওয়া নিয়ে যে ‍সচেতনতা চিকিৎসকদের - Janatar Jagoron

দই খাওয়া নিয়ে যে ‍সচেতনতা চিকিৎসকদের

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫২ বার পঠিত
দই খাওয়া নিয়ে যে ‍সচেতনতা চিকিৎসকদের

মিষ্টি দই নয়, প্রতিদিন খান টক দই আর থাকুন ভালো।
অনলাইন ডেস্ক

গরমকালে এক বাটি ঠান্ডা দই যেন প্রাণের সঞ্চার করে! শুধু স্বাদের জন্য নয়, এর পুষ্টিগুণও বেশ চমকপ্রদ। তবে আপনি প্রতিদিন যে দই খাচ্ছেন, সেটি কি আদৌ আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে নিরাপদ? বিশেষ করে, মিষ্টি দই নাকি টক দই—কোনটি শরীরের বন্ধু আর কোনটি হতে পারে বিপদের কারণ?

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দই উপকারী হলেও ভুলভাবে খেলে এটি দেহে ক্ষতির কারণও হতে পারে। কলকাতার প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. রুদ্রজিৎ পাল দই খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও এর প্রভাব নিয়ে দিয়েছেন চমৎকার কিছু দিকনির্দেশনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক—দইয়ের কোন রূপটি আপনার উপকার করবে, আর কোনটি থেকে দূরে থাকলে ভালো।

মিষ্টি দই: মিষ্টি ফাঁদে সুস্বাদু বিপদ!
ডা. রুদ্রজিৎ বলেন, ‘দই খেতে মজা হলেও প্রতিদিন যদি মিষ্টি দই খান, তাহলে সেটি শরীরের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।’

  • দোকানে কেনা মিষ্টি দইয়ে অতিরিক্ত চিনি ও বনস্পতি (স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত উদ্ভিজ্জ ঘি) মেশানো থাকে।
  • অতিরিক্ত চিনি শরীরে জমে গিয়ে ওজন ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
  • বনস্পতিতে থাকা চর্বি হার্টের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।
  • তাই নিয়মিত মিষ্টি দই না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক।

টক দই: শরীরের নিঃশব্দ রক্ষাকর্তা
ডা. পাল জানান, টক দই হলো প্রতিদিনের সঙ্গী হতে পারে এমন স্বাস্থ্যকর খাবার।

  • এতে থাকা প্রোটিন পেশি গঠনে সাহায্য করে।
  • দইয়ের ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন ও দৃঢ়তা বাড়াতে কার্যকর।
  • ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া হজমশক্তি বাড়ায় ও অন্ত্র সুস্থ রাখে।
  • গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যাও অনেকাংশে কমে যায়।

টক দই খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও পরিমাণ
প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম টক দই খাওয়া যেতে পারে। খাওয়ার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর দই খেলে তা সবচেয়ে বেশি উপকারী হয়। তবে যাদের ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরল আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দই খাওয়াই ভালো।

গণমাধ্যম জানায়, টক দইয়ের তুলনায় মিষ্টি দইয়ে চিনির পাশাপাশি ফ্যাটের মাত্রাও বেশি থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। অন্যদিকে, নিয়মিত টক দই খেলে হজম ও দেহের নানা অঙ্গ সুস্থ থাকে।

স্বাস্থ্যের খাতিরে সিদ্ধান্তটা হোক সঠিক—দই খাবেন? অবশ্যই! তবে বেছে নিন টক দই। তাতে হয়তো স্বাদে সামান্য কমতি হবে, কিন্তু দেহ থাকবে রোগমুক্ত।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..