1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মায়ের কণ্ঠস্বর শুনলে কেন কমে চাপ? গবেষণায় জানা গেল - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

মায়ের কণ্ঠস্বর শুনলে কেন কমে চাপ? গবেষণায় জানা গেল

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫
  • ১৯৫ বার পঠিত
মায়ের কণ্ঠস্বর

মায়ের কণ্ঠস্বরই চাপ কমায়, সন্তানের মানসিক সুস্থতার এক অনন্য শক্তি!
অনলাইন ডেস্ক

শিশু জন্মের আগেই মায়ের কণ্ঠস্বরকে চিনে নেয়। গর্ভের মধ্যে থেকে সে মায়ের স্নেহময় কণ্ঠস্বর শুনতে শুনতে বড় হয়, যা তার জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে প্রিয় শব্দ। তবে শুধু ভালোবাসা নয়, মায়ের কণ্ঠস্বর শিশুর মানসিক চাপ কমাতেও দারুণ কার্যকর — এ চমকপ্রদ তথ্য জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের এক সাম্প্রতিক গবেষণা।

এই গবেষণায় ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী ৬১ জন মেয়েকে নিয়ে করা হয় এক বিশেষ পরীক্ষা। তাদের এমন একটি চাপের পরিস্থিতিতে রাখা হয় যেখানে তারা উপস্থিত বুদ্ধিতে কথা বলতে ও কঠিন অঙ্কের সমাধান করতে বাধ্য হয়। এসব কাজ অচেনা মানুষের সামনে করাতে তাদের চাপে ফেলা হয়। এরপর তিনটি আলাদা গ্রুপে ভাগ করা হয় তারা। প্রথম গ্রুপের মেয়েদের মায়ের স্পর্শ এবং সান্নিধ্যের সুযোগ দেওয়া হয়, দ্বিতীয় গ্রুপকে মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়, আর তৃতীয় গ্রুপকে একটি সাধারণ সিনেমা দেখানো হয়।

পরীক্ষার শেষে প্রতিটি মেয়ের লালা ও প্রস্রাবের হরমোন পরীক্ষা করে দেখা যায়, মায়ের সঙ্গে সরাসরি দেখা বা ফোনে কথা বলা গ্রুপের মেয়েদের শরীরে অক্সিটোসিন নামক ভালো লাগার হরমোন বেড়ে যায়, আর চাপ কমানোর কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমে। অন্যদিকে, সিনেমা দেখানো মেয়েদের মধ্যে এমন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। গবেষকরা বলছেন, মায়ের স্পর্শ কিংবা কণ্ঠস্বর সন্তানের মনে এমন এক প্রশান্তির সৃষ্টি করে যা কোনো সিনেমা দিতে পারে না।

বর্তমান সময়ে পড়াশোনা বা কর্মজীবনের কারণে অনেকেই মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকেন। অনেকের বিয়ের পর মায়ের সান্নিধ্য পাওয়ার সুযোগ কমে যায়। কিন্তু প্রযুক্তির সুবিধায় মায়ের সঙ্গে অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখা সহজ। মায়ের কণ্ঠস্বর শুনলে সন্তান যেমন মানসিক শান্তি পায়, তেমনি মায়েরও মন ভালো থাকে।

তাই যতই ব্যস্ত থাকুন, মাকে ফোন করুন নিয়মিত। মায়ের মায়াময় কণ্ঠস্বর শুনে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমবে, ভালোবাসা বাড়বে, আর জীবনে আসবে এক সুস্থ শান্তির বাতাস।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..