মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
🌞 গ্রীষ্মের দাবদাহে শুধু পানি নয়, খাবারেও আছে ডিহাইড্রেশনের ফাঁদ! সতর্ক হোন আজই 🌞
অনলাইন ডেস্ক
গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে নাজেহাল জনজীবন। তাপমাত্রাও বেড়েই চলেছে। এর ফলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়, আর সেই সঙ্গে দেখা দেয় পানিশূন্যতার সমস্যা। এই ঋতুতে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিপুল পরিমাণ পানি বেরিয়ে যায়, আর তার সঙ্গেই ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যও বিঘ্নিত হয়। বিশেষজ্ঞরা বরাবরই এই সময়ে নিজেকে হাইড্রেটেড রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, আমাদের প্রতিদিনের খাওয়ার কিছু উপাদান শরীরকে হাইড্রেট না রেখে বরং আরও ডিহাইড্রেট করে তোলে। গ্রীষ্মে শুধু পানি পান করলেই চলবে না—খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। কারণ গরমের সময় খাওয়ার ধরন আমাদের শরীরের পানির ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলে। তাই কিছু খাবার এড়িয়ে চলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
লবণাক্ত খাবার
এই ধরনের খাবারে থাকে প্রচুর সোডিয়াম, যা শরীরের কোষ থেকে পানি টেনে নেয়। উচ্চ সোডিয়াম কিডনিকে তা নির্গত করতে বাধ্য করে, এতে আরও বেশি পানি ক্ষয় হয়।
প্রক্রিয়াজাত মাংস
সসেজসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত মাংসে থাকে প্রচুর প্রিজারভেটিভ ও লবণ। এতে কম পানি ও উচ্চ সোডিয়াম থাকার কারণে তা ডিহাইড্রেশন বাড়িয়ে দেয়।
ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
অনেকে মনে করেন আইসড কফি বা এনার্জি ড্রিংক শরীর চাঙা রাখে। কিন্তু ক্যাফেইন একটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক, যা শরীর থেকে পানি বের করে দেয়, ফলে শরীর আরও শুকিয়ে পড়ে।
আচার
গ্রীষ্মকালে আচার খেতে ভালো লাগলেও, এতে সোডিয়ামের পরিমাণ থাকে অনেক বেশি। বেশি পরিমাণে আচার খাওয়ার ফলে শরীরের পানির ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার
প্রোটিন দরকারি হলেও অতিরিক্ত প্রাণিজ প্রোটিন কিডনির ওপর বাড়তি চাপ ফেলে। এতে শরীর থেকে বেশি পানি ক্ষয় হয়। প্রোটিন হজম করতে বেশি পানি লাগে, যা না থাকলে ডিহাইড্রেশন বাড়ে।
🥵 তাই এই গরমে শুধু তৃষ্ণা মেটালেই হবে না—খাবারও হতে হবে বেছে খাওয়া! সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন।
সূত্র : আজতক বাংলা