শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
সাদিকা জাহান
হৃদরোগীদের মধ্যে যাদের হৃদপিন্ডের পাম্পিং ক্ষমতা ৩০% এর নিচে নেমে যায়, তাদের জন্য রোজা না রাখাই ভালো। তবে, যদি পাম্পিং ক্ষমতা ৩০% এর বেশি হয় এবং কিডনি সমস্যা বা ডায়াবেটিসের মতো জটিলতা না থাকে, তাহলে রোজা রাখতে তেমন বাধা নেই।
ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. মাহবুবর রহমান এসব পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানান, যারা হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস দুটোই বহন করছেন, তাদের রোজায় বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।
ইফতারে তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে সহজপাচ্য ও নরম খাবার খাওয়া উচিত, সঙ্গে কিছু ফলমূল রাখা ভালো, যাতে হৃদযন্ত্রের উপর চাপ না পড়ে। তারাবীর নামাজের পর নির্ধারিত ওষুধ সঠিকভাবে গ্রহণ করা প্রয়োজন। সকালে যে ওষুধগুলো খাওয়া হতো, সেগুলো সেহরির সময় নিতে হবে।
রমজান চলাকালীন যদি নতুন করে কারো হৃদরোগের সমস্যা দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বুকে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হলে ইসিজি করে নিশ্চিত হতে হবে যে এটি হৃদরোগ নাকি গ্যাসের সমস্যা।
যারা একইসাথে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের ইনসুলিনের ডোজ রোজার সময় কিছুটা সামঞ্জস্য করতে হবে। সাধারণ সময়ে সকালে ভারী ডোজ এবং রাতে হালকা ডোজ নেওয়া হয়, তবে রোজার সময় এটি পাল্টে গিয়ে বিকেলের দিকে বেশি ও সকালে কম ডোজ নিতে হয়। পাশাপাশি, অন্যান্য ওষুধের মাত্রাও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কমানো উচিত, যাতে রক্তের শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে না যায়।