1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ডায়াবেটিস থাকলেও যে ফলগুলো খেতে পারবেন - Janatar Jagoron

ডায়াবেটিস থাকলেও যে ফলগুলো খেতে পারবেন

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫
  • ১৭৮ বার পঠিত
ফল

ডায়াবেটিসে ফল খাবেন? এই গরমে বেছে নিন সঠিক ৫টি!
অনলাইন ডেস্ক

তাপমাত্রা বাড়লেই মন চায় ঠান্ডা, রসালো ফলের দিকে। কিন্তু ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য এ আকাঙ্ক্ষা পূরণে কিছু বিধিনিষেধ মানতেই হয়। কারণ সব ফলই যে নিরাপদ নয়, তা বলাই বাহুল্য। তবে সুখবর হলো—গ্রীষ্মকালের কিছু ফল আছে যেগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না, বরং শরীরকে রাখে হাইড্রেটেড, দেয় ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট—শুধু খেয়াল রাখতে হবে পরিমাণের দিকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযোগী ফল হলো যেগুলোর গ্লাইসেমিক সূচক কম ও ফাইবার বেশি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমনই কিছু উপকারী ফল—

১. জাম
গ্রীষ্মের রাজকীয় ফল জাম, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ। এর গ্লাইসেমিক সূচক মাত্র ২৫, আর এতে থাকা ‘জাম্বোলিন’ নামক যৌগ স্টার্চকে শক্তিতে রূপান্তরে সহায়তা করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় জাম বীজের গুঁড়া ব্যবহৃত হয় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে।

২. পেয়ারা
টক-মিষ্টি পেয়ারা শুধু মুখরোচক নয়, বরং কম ক্যালোরি ও উচ্চ ফাইবারের কারণে এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সহায়ক। এতে থাকা ভিটামিন সি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়, যা ডায়াবেটিসে অন্যতম সমস্যা। জুসের বদলে আস্ত পেয়ারা খাওয়াই ভালো।

৩. পেঁপে
পেঁপে পেটের জন্য যেমন হালকা, তেমনি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর। এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা হলে এক বাটি পাকা পেঁপে হতে পারে স্বাস্থ্যকর বিকল্প।

৪. তরমুজ
তরমুজ খেতে পারেন ডায়াবেটিস রোগীরাও, তবে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে। যদিও এতে প্রাকৃতিক চিনি আছে, তবে ৯০% জলীয় অংশ থাকার কারণে এটি দেহকে রাখে হাইড্রেটেড। একে কিছু প্রোটিন বা ফ্যাট যেমন বাদামের সঙ্গে খেলে রক্তে শর্করার ওঠানামা কম হয়।

৫. পীচ
সুগন্ধি ও পুষ্টিকর এই ফলটিতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ, সি ও পটাসিয়াম। তবে বোতলবন্দি সিরাপে রাখা পীচ নয়, বেছে নিন তাজা পীচ। এটি শুধু রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং দেহে জল ধরে রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জাগিয়ে তোলে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..