শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
সিনহার বিচার আজ—দণ্ড নিশ্চিত না খালাসের প্রত্যাশা?
অনলাইন ডেস্ক
বহুল আলোচিত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের বহুল প্রতীক্ষিত রায় আজ ঘোষণা হবে।
সোমবার (২ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আলোচিত এই মামলার রায় দেবেন।
এর আগে গত ২৯ মে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা মেজর সিনহা হত্যার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ২ জুন দিন নির্ধারণ করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তাকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শামীমা দিপ্তী, জসিম সরকার এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার সুমাইয়া আজিজ ও লাবনী আক্তার।
প্রায় এক বছর আগে, ২০২৩ সালের ২৩ জুন শুরু হয় এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি।
এর আগে, ২০২৪ সালের ২১ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ মামলাটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং মামলার নথি বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি সগীর হোসেনের বেঞ্চে প্রেরণ করেন।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ লিয়াকত আলীর গুলিতে প্রাণ হারান মেজর সিনহা।
পাঁচদিন পর, ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস আদালতে মামলা করেন।
পরবর্তীতে, ১৩ ডিসেম্বর র্যাব ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়, যেখানে হত্যাকাণ্ডটিকে ‘পরিকল্পিত’ বলা হয়।
২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল রায় ঘোষণা করেন। তাতে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেবকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া তিন স্থানীয়—নুরুল আমিন, আইয়াজ ও নিজাম উদ্দিনও যাবজ্জীবন সাজা পান। তবে সাত আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে, আর দণ্ডপ্রাপ্তরা দাখিল করেন আপিল।