শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে ভারতের ৭০তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সেখানে দেখা গেছে দক্ষিণি সিনেমার জয়জয়কার। সেরা ছবি হয়েছে মালয়ালম সিনেমা ‘আত্তাম’। এ ছাড়া সেরা মালয়ালম সিনেমা হয়েছে ‘সৌদি ভেলাক্কা’। বলা যায়, ভারতের সিনেমায় মালয়ালম সিনেমার রাজত্ব যেন বেড়েই চলেছে। হয়ে উঠছে অনন্য। কিন্তু কীভাবে?
অবজ্ঞা পেরিয়ে
মলিউড ইন্ডাস্ট্রির শুরু থেকে একে ছোট করে দেখা এবং অবজ্ঞা করার প্রবণতা খেয়াল করা গেছে। মলিউডকে অবজ্ঞা করে ‘পেট্টিক্কাড়াউড’ বলা হতো। এর অর্থ হলো রাস্তার পাশের ছোট্ট দোকান, যেখানে সস্তা জিনিস বিক্রি হয়। অথচ রাস্তার পাশের সেই ছোট্ট দোকানের সিনেমাই যে সাফল্য লাভ করছে, তাতে করে মালয়ালম সিনেমা ভারতের সেরা কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। শৈল্পিক ও বাণিজ্যিক দিকগুলো মিলিয়ে মালয়ালম সিনেমা যেভাবে ব্লকবাস্টার হচ্ছে, তাতে পুরো ভারত ছাপিয়ে বিশ্বের দর্শকের আগ্রহবিন্দুতে পৌঁছে গেছে। কেউ কেউ আবার মালয়ালম সিনেমাকে ভারতের সেরা বলছেন। কিন্তু কেন?
অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে মালয়ালম সিনেমা যে আজকের অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, এর জন্য আনন্দিত পরিচালক জিও বেবি। ‘কাঁঠাল: দ্য কোর’(২০২৩) সিনেমার পরিচালক বলেন, ‘কয়েক বছর আগে পর্যন্ত আমরা সিনেমার মাধ্যমে সমস্যার কথা বলতাম। কিন্তু এখন উল্টোটা ঘটছে। মেইনস্ট্রিম সিনেমার ক্ষেত্রেও। কোনো সিনেমার মাধ্যমে রাজনৈতিক কোনো বার্তা ভুলভাবে দেওয়া হলে দর্শক প্রশ্ন তুলছেন। সেটা কোনো সুপারস্টার অভিনীত সিনেমা হলেও। এ ধরনের পরিবর্তন শুধু নির্মাতা বা শিল্পীদের কারণেই হয়নি। দর্শকেরাও এর অংশীদার।’
জিও বেবির ঝুলিতে ‘ফ্রিডম ফাইট’ (২০২২), ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কিচেন’(২০২১), ‘কিলোমিটারস অ্যান্ড কিলোমিটারস’-এর (২০২০) মতো জনপ্রিয় সিনেমা রয়েছে