শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভেঙে পড়া পুলিশি ব্যবস্থা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। আগের সরকারের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আত্মগোপনে চলে গেছেন। কয়েকজনকে অব্যাহতি ও অনেককে বদলি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বদলি, পদায়ন, পদোন্নতি এবং এই ক্ষেত্রে বিগত সময়ে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের দৌড়ঝাঁপের কারণে একধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করে শেখ হাসিনা সরকারের সময় পদোন্নতিবঞ্চিত বা কোণঠাসা করে রাখা পুলিশ কর্মকর্তাদের একটা অংশ পুলিশ সদর দপ্তরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তাঁরা কাকে কোথায় বদলি করা হবে, কারা পদোন্নতি পাবেন; এ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ আমলে বঞ্চিত এবং আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক কর্মকর্তাদের ব্যাচভিত্তিক তালিকা তৈরি করেছে একাধিক পক্ষ। এর ফলে পেশাদার কর্মকর্তাদের অনেকে অস্বস্তি ও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকা কিছু কর্মকর্তার পদোন্নতির বিষয়গুলো আমাদের দেখতে হচ্ছে। তার আগে সংশ্লিষ্ট জায়গার দ্বিতীয় বা তৃতীয় দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছি। সময়ের প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে অতীত রেকর্ড ভালো, দায়িত্বশীল, পেশাদার ও গ্রহণযোগ্য কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হচ্ছে।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম
আগের সময়ে পুলিশের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়ে বা নির্দিষ্ট এলাকায় বাড়ি হওয়ার কারণে পদোন্নতিবঞ্চিত হয়েছেন, এমন একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মধ্যে যেমন অনেক যোগ্য ব্যক্তি রয়েছেন। আবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণেও কারও কারও পদোন্নতি হয়নি।