সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে ফেস্টুন টানানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের রিফুজি মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- ওই এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাজান, ভবানীগঞ্জ ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী ফিরোজ আলম, ছাত্রশিবিরের ওয়ার্ড সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত তাহসিন ও অর্থ সম্পাদক মো. সোহাগ হোসেন। জামায়াতকর্মী ফিরোজ আলম বলেন, আমরা সকালে রিফুজি মার্কেট এলাকায় ড. রেজাউল করিমের ফেস্টুন লাগানোর সময় স্থানীয় বিএনপির কর্মী কাশেম মাঝি বাধা দেয়। একপর্যায়ে আমরা সেখান থেকে সরে গিয়ে বাজারের অন্য পাশে ফেস্টুন লাগানোর সময় কিছুক্ষণ পর পরিকল্পিতভাবে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে। আহত বিএনপিকর্মী মো. শাহাজান বলেন, জামায়াতের লোকজন আমাদের বিএনপির অফিসের সামনে ফেস্টুন লাগাতে এলে আমি বাধা দেই। কিন্তু তারা আমার ওপর হামলা করে আমাকে গুরুতর আহত করে। বিএনপিকর্মী কামাল হোসেন বলেন, সকালে জামায়াতের লোকজন বিএনপির অফিসের সামনে ফেস্টুন লাগানোর সময় বিএনপির কর্মী শাহাজান বাধা দিলে তারা হামলা চালায়। ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন জামায়াতে সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুল হক বলেন, বিগত সময়ে রিফুজি মার্কেট এলাকায় এই শাহজাহান দুবার ড. রেজাউল করিমের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে। আজ আমাদের লোকজনকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয় ও বাধা দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, শাহাজান মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ। তাই এই ঘটনায় আমরা ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তবে কেউ উসকানি দিয়ে তাকে দিয়ে যদি এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকে আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল আলী হুমায়ুন বলেন, শাহজাহান মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াতের লোকজন তাকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে।
ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এস এম আজাদ বলেন, একটি মানসিক অসুস্থ মানুষকে জামায়াতের কর্মীরা মারধর করেছে। বিষয়টি নিন্দনীয়। তবে এই ঘটনায় জামায়াতের কেউ কোনোভাবে আহত হয়নি। লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।