1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
প্রোপোফল আসক্তি: মাইকেলের বিদায়ের হৃদয়স্পর্শী গল্প - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ভোটের দিনে খোলা থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের দিনে বাস চলবে, তবে সার্ভিস সীমিত থাকতে পারে নির্বাচন ঘিরে আজ থেকে সাতদিন মাঠে থাকবে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিসহ ১৩৫ অভিবাসী বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত ভাষা ও আত্মত্যাগের স্মৃতি বয়ে নিয়ে শুরু বাঙালির ফেব্রুয়ারি মাস সারা দেশে যৌথবাহিনীর সপ্তাহব্যাপী অভিযানে গ্রেপ্তার পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি আজ থেকে শুরু নির্বাচনী প্রচার, দলগুলোর কোথায় কখন কর্মসূচি জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলা: জয় ও পলকের বিচার শুরু হাইকোর্টে খারিজ রিট, কুমিল্লা–৪ আসনে প্রার্থী হতে পারলেন না হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী আপিল শুনানির প্রথম ঘণ্টায় পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল

প্রোপোফল আসক্তি: মাইকেলের বিদায়ের হৃদয়স্পর্শী গল্প

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫
  • ১৫১ বার পঠিত
প্রোপোফল আসক্তি

একটি সাদা ‘দুধ’ আর অমরত্বের লড়াই: মাইকেল জ্যাকসনের শেষ দিনের অব্যক্ত গল্প
অনলাইন ডেস্ক

২৫ জুন ২০০৯—বিশ্বের এক অসাধারণ শিল্পী মাইকেল জ্যাকসন তার জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মাত্র ৫০ বছর বয়সে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যু সারা বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়, এক অবিশ্বাস্য শোকে ডুবিয়ে। মৃত্যুর পেছনে যে কারণে সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত—চেতনানাশক ওষুধ প্রোপোফল। আর এই প্রোপোফল ছিল মাইকেলের শেষ সঙ্গী, যা দেখতে দুধের মতো সাদা হওয়ায় তিনি নিজেই ডাকতেন তাকে ‘দুধ’। কিন্তু সেই ‘দুধ’ই হয়ে যায় তার বিদায়ের কারণ।

আজও মাইকেলের মৃত্যুর রহস্য ও শেষ সময়ের নানা অজানা কথা জনসাধারণের জন্য কৌতূহলের বিষয়। ব্রিটিশ তথ্যচিত্র ‘মাইকেল জ্যাকসন অ্যান্ড দ্য ডক্টর: আ ফ্যাটাল ফ্রেন্ডশিপ’ এ উঠে এসেছে সেই অজানা অধ্যায়, যেখানে মাইকেলের সেই বিতর্কিত চিকিৎসক কনরাড মারে তার শেষ দিনের নানা স্মৃতি ও ঘটনা শেয়ার করেছেন।

❖ ‘দুধ’ খেতে চাইতেন বারবার, আসক্তি ছিল গভীর

তথ্যচিত্রে মারে বলেন, মাইকেল ছিলেন ইনসমনিয়ার (ঘুমের রোগে) শিকার। দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের ঘাটতি তাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছিল। আর এই কারণেই তিনি প্রোপোফলের উপর আসক্ত হয়ে পড়েন।
প্রোপোফল ছিল তার একান্ত সঙ্গী—দিনে রাতে অনুনয় করতেন চিকিৎসককে, যেন তাকে ‘দুধ’ দেওয়া হয়। এটি ছিল তার একমাত্র আশ্রয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, সেই ‘দুধ’ই হয়ে যায় তার জীবন থেকে বিদায়ের সোপান।

❖ একাকিত্ব আর ভিড়ের তিক্ত দ্বন্দ্ব

মাইকেল ছিলেন একাকিত্বের পক্ষে, শান্তিপ্রিয়। কিন্তু তার ব্যক্তিগত জীবন ছিল চাপা, কারণ তার বাড়ির চারপাশে সারাক্ষণ পাপারাজ্জি এবং ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত।
মারে স্মরণ করে বলেন, ‘তিনি বাড়িতে কখনো শান্তিতে থাকতে পারতেন না। পাপারাজ্জিরা সর্বদা নজর রাখত। অনেকবার আমরা গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যেতাম। মাইকেল গা ঢাকা দিয়ে পিছনের সিটে লুকিয়ে থাকতেন, নিরাপত্তাকর্মীদের বলতেন, “আমাদের পিছু নিতে হবে না।” এরকম ঝুঁকি তাকে নিতে দেখে আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে যেত।’

❖ পায়ের প্রচণ্ড ব্যথা সত্ত্বেও নাচতেন, জোরে হাঁটতেন

অপর একটি অজানা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে—মাইকেল কখনো পেডিকিউর বা ম্যানিকিউর করাননি!
তার পায়ে ছিল প্রচণ্ড ব্যথা, কিন্তু তিনি কখনো তা প্রকাশ করেননি। মারে জানালেন, ‘আমি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের এনেছিলাম তার জন্য। ব্যথা কমাতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। প্রথমবার নাচতে পারছিলেন ব্যথা ছাড়াই, যা তার জন্য বিস্ময়ের ছিল।’ এই দৃঢ়তা ও যন্ত্রণার মধ্যেও নাচতে পারার গল্প মাইকেলের লড়াই ও সংগ্রামের নিদর্শন।

❖ মৃত্যুদিনের ঘাতক ভুলভ্রান্তি: জরুরি ফোনে বিলম্ব

মাইকেলের মৃত্যুর সময় এক বড় দোষ ছিল চিকিৎসকের। মারে তখন জরুরি মুহূর্তে নিজের টেলিফোনে বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডায় ব্যস্ত ছিলেন। জরুরি নম্বরে ফোন করতে দেরি হয়েছিল।
এই অবহেলা ও বিভিন্ন অভিযোগের কারণে ২০১১ সালে তিনি ‘অনিচ্ছাকৃত খুন’–এর দায়ে চার বছরের কারাদণ্ড পান।

❖ শেষ কথাগুলো কী বলেছিলেন মাইকেল?

তথ্যচিত্রে মারে মাইকেলের শেষ কথাগুলোও স্মরণ করেন। সেই কথাগুলো থেকে বোঝা যায় মাইকেলের মানসিক অবস্থা, তার আকাঙ্ক্ষা, ভয় এবং জীবনের প্রতি তার লড়াই। সে সব কথা হৃদয়স্পর্শী, একাধারে করুণ আর প্রেরণাদায়ক।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..