শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর শেষ হতে চলেছে আরব বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। উৎসবের শেষ দিনে লাল গালিচায় ছিল নজরকাড়া সব চমক। একদিকে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হাজির হন তাঁর স্বামী নিক জোনাসকে সঙ্গে নিয়ে। অন্যদিকে উপস্থিত ছিলেন হলিউড সুপারস্টার জনি ডেপ।
এই বছর রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল নারী শক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছিল। ‘উইমেন ইন সিনেমা’ শিরোনামে একটি বিশেষ আয়োজন ছিল যা বেশ সাড়া ফেলেছিল।
সৌদি আরবের বন্দর শহর জেদ্দায় অনুষ্ঠিত চতুর্থ এ আসরে অংশ নিয়েছেন বহু দেশি-বিদেশি তারকা। মার্কিন অভিনেত্রী শ্যারন স্টোন, জেসিকা আলভা, ফরাসি অভিনেত্রী মেলানি লরেন্ট, বলিউডের কারিনা কাপুর এবং শ্রদ্ধা কাপুর, বাংলাদেশের মেহজাবীন চৌধুরী, মিশরীয় মডেল তারা ইমাদ, সৌদি অভিনেত্রী ইদা আল কুসায়সহ আরও অনেক তারকাই ছিলেন উৎসবের আলোকচ্ছটায়।
উৎসবের শেষ দিনে নজর কাড়লেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তিনি সিলভার গাউন পরে রেড কার্পেটে উপস্থিত হন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর জীবনসঙ্গী নিক জোনাস। রেড কার্পেট থেকে নিজের কাজের প্রতি উৎসাহ প্রকাশ করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আবার নতুন কিছু করতে চাইছি।’
প্রায় ছয় বছর ধরে প্রিয়াঙ্কাকে বলিউডে দেখা যায়নি। তবে হলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান গড়ে তোলার পর এবার বলিউডে ফেরার ইঙ্গিত দেন তিনি। প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমি নাচ মিস করি, আমার মাতৃভাষা মিস করি, আর সবচেয়ে বেশি মিস করি ভারতীয় সংস্কৃতিকে।’
তিনি আরও বলেন, বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে বড় হওয়া এবং সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করছি, আগামী বছরই নতুন কাজ শুরু করব। বলিউড ছেড়ে হলিউডে চলে যাইনি। বরং আমি সবসময়ই এই দুই জায়গার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেছি। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি, কারণ খুব কম মানুষই একসঙ্গে হলিউড এবং বলিউডে কাজ করার সুযোগ পায়। এ জন্য আমি গর্বিত।
উৎসবের শেষ রাতে উপস্থিত হয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেন হলিউড তারকা জনি ডেপ। তাঁর সিনেমা ‘মোদি’-র প্রিমিয়ার উপলক্ষে তিনি সেখানে ছিলেন। সাদা শার্ট ও কালো ব্লেজারে লাল গালিচায় প্রবেশ করেন তিনি। তাঁকে দেখেই উপস্থিত দর্শকদের মাঝে উচ্ছ্বাসের ঝড় উঠে।
জনি ডেপ সৌদি সরকারের এমন আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং বলেন, বিশ্ব সিনেমার বড় আয়োজনগুলোর তালিকায় দ্রুতই স্থান করে নেবে এই উৎসব। সৌদি আরবের রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের এ যাত্রা বিশ্ব চলচ্চিত্রের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।