1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
এই প্রজন্ম একদিন আমাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন মশার কয়েল জ্বালাতে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক দম্পতি

রাষ্ট্র সংস্কার না করে অন্তর্বর্তী সরকার চলে গেলে, এই প্রজন্ম একদিন আমাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৮৬ বার পঠিত
প্রজন্ম
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘যদি রাষ্ট্রের কোনো সংস্কার ছাড়াই অন্তর্বর্তী সরকার চলে যায়, তবে এই প্রজন্ম একদিন আমাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।’

আজ শনিবার মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (এনডিএম) আয়োজিত রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘আগামী ৩১ ডিসেম্বর সংস্কার কমিশনগুলো প্রতিবেদন জমা দেবে, এরপর আমরা সবাই মিলে আলোচনা করব।’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে এমন এক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যার বিপরীতে আমাদের ইতিহাস পুরোপুরি আলাদা। আমাদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের পর পুরো এক দশক আমরা পতনের রাজনীতি করেছি। সে সময় খুবই গুরুতর আলাপ আলোচনা হয়নি। সেকালে ৭০-এর দশক ছিল খুনোখুনির দশক। এটি ছিল পতনের রাজনীতি। সে সময় রাজনৈতিক সংস্কারের কোনো আলোচনা ছিল না। পরবর্তী দশকে এসে জিয়াউর রহমান একটি রিফর্ম বা শৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। তার পরিকল্পনা ছিল আধুনিক বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।

তিনি আরও বলেন, এরপর যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেটি ১৫ বছরের মধ্যে বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। যখনই সবাই মনে করল যে এটিকে সংস্কার করতে হবে, তখন (১৯৯৬ সালে) শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে সেটিকে অচল করে দেন। পরবর্তীতে ২০০৭-২০০৮ সালের দিকে আমরা দেখেছি, সে সময়কার মিলিটারি গভর্নমেন্ট ছিল অত্যন্ত কঠোর। তারা লোকজনকে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করত এবং সেগুলোকে সিডি আকারে প্রকাশ করে গণমাধ্যমে প্রচার করত। সেই শাসনামলের দুই বছরে একটি বড় পরিবর্তন ছিল এক্সিকিউটিভ এবং জুডিশিয়ারি আলাদা করা। এর বাইরে আর কোনো উল্লেখযোগ্য অর্জন ছিল না।

শফিকুল আলম আরও বলেন, আমরা পরে দেখেছি, চিফ জাস্টিসের প্রতি কী ধরনের আচরণ করা হয়েছিল এবং আদালতের অবস্থা কী ছিল। তবে ১৫ বছর পর একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা বর্তমানে একটি অবস্থানে পৌঁছেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা যে সংস্কার করতে চাচ্ছি, তা সফল হবে কি না এবং কি আমরা আবার সেই আগের অবস্থায় ফিরে যাব, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, সংস্কারের বিষয়ে নানা আলোচনা চলছে, বিভিন্ন সেমিনার হচ্ছে, অর্থাৎ সংস্কারের নিয়ে ব্যাপক হারে বিতর্ক হচ্ছে। এবং আমরা চাচ্ছি যে, সংস্কারের বিষয়ে সবার মধ্যে বড় আকারে আলোচনা হোক। বাংলাদেশে প্রতিটি মানুষ এবং দল যেন এই আলোচনায় অংশ নেয়, যাতে আমরা একটি ভালো বাংলাদেশের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারি। এটি যেমন ১৭০০-১৮০০ সালে আমেরিকায় হয়েছিল, যার ফল তারা ২৫০ বছর পর পাচ্ছে।

সংস্কার নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, আমেরিকা এটি করতে পেরেছে, তবে আমরা একটি রিফর্ম প্রক্রিয়ায় এগোতে পারছি না। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার যদি এই রিফর্মকে সহযোগিতা করে, তবে আমরা চাই সবাই যেন সততা এবং বাস্তবসম্মত আলোচনা করে। এতে করে, কোন সংস্কার আমরা শীঘ্রই করতে পারব এবং কোনটি দীর্ঘমেয়াদে করতে হবে, তা ঠিক করা সম্ভব হবে। আমরা যে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছি, তা নতুন বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্যে।

তিনি বলেন, অনেকে বলেন, এত সংস্কার করে কী হবে? একটি নির্বাচন দিয়ে চলে যান। কিন্তু আমি বলব, পুরো বাংলাদেশ ঘুরলে দেখবেন, প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে লেখা রয়েছে এই রাষ্ট্রটিকে মেরামত করতে হবে। তাই, যদি আমরা কোনো সংস্কার না করেই চলে যাই, তবে এই প্রজন্ম একদিন আমাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে এবং বলবে, তোমরা কিছুই করো নাই। ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের মতো, কিছু না করে যথাযথ সংস্কার ছাড়াই চলে গিয়েছিল। আমরা এটা চাই না, প্রয়োজনে জেলে গিয়ে মরতে চাই, তবুও আমরা চাই রাষ্ট্রে একটি ভালো রিফর্ম হোক। রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি সকল সেক্টরের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..