1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
গর্ভাবস্থায় ভাইরাল জ্বর হলে করণীয় কি - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আপিল শুনানির প্রথম ঘণ্টায় পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল স্কাইডাইভিংয়ে একসঙ্গে ৫৪ পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ তেজতুরী বাজারে মোসাব্বির হত্যা: রহস্য উদঘাটন, চারজন গ্রেপ্তার নির্বাচনে কোনো দলের জন্য বাড়তি সুযোগ নেই: প্রেস সচিব ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬ প্রার্থিতা বাতিল ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় ইসির নতুন পরিপত্র জারি আগামী বাজেট থেকেই অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত বাংলাদেশ, বাড়ল ভ্রমণ জটিলতা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সারজিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দুদক রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শরিফ হাদি হত্যা, চার্জশিট দিল ডিবি

গর্ভাবস্থায় ভাইরাল জ্বর হলে করণীয় কি

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৮২ বার পঠিত
গর্ভাবস্থায় ভাইরাল জ্বর হলে করণীয় কি

বর্ষা শেষে শরতের আগমনের সাথে সাথে প্রকৃতিতে বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এডিস মশার বিস্তার ঘটছে, যা ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়িয়েছে। একইসাথে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণও বেড়েছে। সাধারণ মানুষের তুলনায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এই সময়ে ভাইরাল জ্বরের ঝুঁকিতে বেশি থাকেন। গর্ভের সন্তানের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি এবং অনেক ওষুধের ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকার কারণে, গর্ভাবস্থায় যেকোনো ধরনের জ্বর হতে পারে অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাই অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

ডেঙ্গুর সংক্রমণ হলে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে এবং প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া উচিত। ডেঙ্গু জ্বরের জটিলতা, যেমন রক্তপাত, রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি, পেটে ও ফুসফুসে পানি জমা, এমনকি গর্ভপাতের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে। ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীদের শরীরে রোগের প্রভাব অনেক বেশি তীব্র হতে পারে, তাই দ্রুত চিকিৎসা নেয়া জরুরি।

হেপাটাইটিস এ, বি ও ই এই সময় বেশি দেখা যায়। এর মধ্যে হেপাটাইটিস ই–তে আক্রান্ত হলে মারাত্মক আকার ধারণ করে। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া অন্তঃসত্ত্বা নারীদের সাধারণ বিষয় হলেও এর জটিলতায় মা মারা যেতে পারেন। হেপাটাইটিস বি–তে আক্রান্ত হলে গর্ভের শিশুও সংক্রমিত হয়।

রুবেলা অনেকটা হামের মতো। গর্ভবতী নারীদের রুবেলা হলে গর্ভপাত ও শিশুর জন্মগত ত্রুটির হার অনেক বেশি হয়।

করোনার প্রকোপ কমে এলেও গর্ভাবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হলে মা ও সন্তানের ক্ষেত্রে জটিলতা বেশি হয়।

গর্ভাবস্থায় জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ শিশুকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। শিশুর জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করে। আমাদের দেশে জিকা ভাইরাস এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

ভেরিসিলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মায়ের ঝুঁকি অনেক বেশি হয়। এ ছাড়া শিশু সংক্রমিত হয়। দেখা দেয় শিশুর জন্মগত ত্রুটি।

গর্ভাবস্থায় জ্বর হলে মা ও শিশু উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের মধ্যে জ্বর হলে গর্ভপাত বা মিসক্যারেজের আশঙ্কা থাকে। যেমন রুবেলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ৬৫ থেকে ৮৫ ভাগ আশঙ্কা থাকে।

কিছু কিছু ভাইরাল জ্বরে শিশুর জন্মগত ত্রুটি দেখা দেয়। যেমন হাম, রুবেলা, সাইটোমেগালো ভাইরাস, হারপিস সিমপেক্স ভাইরাস, ভেরিসিলা, পারভো ভাইরাস ইত্যাদি। এই ত্রুটিগুলোর মধ্যে হার্টে ছিদ্র থাকা, ব্রেন ও স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা, বধির হয়ে যাওয়া, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার হয়ে থাকে।

চিকিৎসকের পরামর্শ কখন

তাপমাত্রা যদি ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বরের সঙ্গে যদি কাশি, গায়ে কোনো র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি থাকে, মাথাব্যথা বা শরীরে ব্যথা থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অনেক সময় জ্বর এমনিতেই চলে যায়, তার পরও স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

ওষুধ কী

গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল নিরাপদ ওষুধ; কিন্তু প্যারাসিটামলের সঙ্গে অনেক সময় ক্যাফেইন, কোডেইন বা অন্য কোনো উপাদান যোগ করা থাকে, তাই এগুলো বেশি খাওয়া যাবে না। কোনোভাবেই অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন–জাতীয় ওষুধ খাওয়া যাবে না। গর্ভাবস্থায় অনেক ওষুধ শিশুর জন্মগত ত্রুটি তৈরি করে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত হবে না।

প্রতিরোধে করণীয়

প্রতিরোধই সবচেয়ে ভালো নিরাময়। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ভাইরাল জ্বর প্রতিরোধ করতে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।

পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে। এ সময় বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। প্রতিদিন গোসল করতে হবে ও পরিষ্কার কাপড় পরতে হবে।

অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। গর্ভাবস্থায় রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। এ সময় ভিড়, জনসমাগমপূর্ণ জায়গা ও অসুস্থ ব্যক্তির কাছ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে।

গর্ভাবস্থায় ভাইরাল জ্বরের ঝুঁকি কমাতে গর্ভধারণের আগেই কিছু ভ্যাকসিন নেওয়া প্রয়োজন। যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা, রুবেলা, হেপাটাইটিস, করোনার ইত্যাদি। আগে নেওয়া না থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে ভ্যাকসিন নিতে হবে।

প্রচুর পানীয় পান করুন। সেই সঙ্গে ভিটামিন সি খেতে হবে। ফলের রস, গরম চা, স্যুপ এই সময় আপনাকে আরাম দেবে, আবার ভাইরাসও বাড়তে দেবে না।

বাসায় তৈরি খাবার খান। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন।

ভাইরাল জ্বর শরীরকে দুর্বল করে দেয়, তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..