1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
উপজেলা হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করবে সরকার - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন মশার কয়েল জ্বালাতে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক দম্পতি

উপজেলা হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করবে সরকার

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২১৯ বার পঠিত
১৮ কোটি মানুষের জন্য জাতীয় অক্সিজেন নেটওয়ার্ক

অনলাইন ডেস্ক ,

দেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন পৌঁছে দিতে সরকার এখন বিভাগীয় ও জেলা সদর হাসপাতালের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিতের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান।

তিনি বলেন, সারাদেশের অনেক হাসপাতালে এখনও অক্সিজেন সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। আমরা চাই, দেশের প্রতিটি হাসপাতালে যেন মানসম্মত অক্সিজেন সহজলভ্য হয়। এজন্য দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোই এখন মূল লক্ষ্য। শুধু অক্সিজেন নয়, যেসব উপকরণ রাষ্ট্র ও জনস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য— সেগুলো দেশেই উৎপাদনের দিকে নজর দিচ্ছে সরকার। কারণ, যেকোনো খাতের ব্যর্থতার মূলেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা জড়িত। ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ অক্সিজেন পৌঁছানোই এখন আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন সামিট ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব মো. সাইদুর রহমান, আইসিডিডিআর,বি’র নির্বাহী পরিচালক ডা. তাহমিদ আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন।

ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, জাতীয় পর্যায়ে একটি ন্যাশনাল অক্সিজেন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। অক্সিজেন যেন ওষুধের মতো সহজলভ্য হয়— সেটিই লক্ষ্য। বর্তমানে হাসপাতালভেদে দামের তারতম্য রয়েছে, যা বন্ধে আমরা এটিকে জরুরি ওষুধের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছি। সরকার দাম নির্ধারণ করবে, পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারি থাকবে। দেশে অক্সিজেন, ভ্যাকসিন, অ্যান্টিভেনম ও অ্যান্টিরেবিস উৎপাদনের উদ্যোগও চলছে।

তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো ব্যর্থতা মোকাবিলার সক্ষমতা আমাদের থাকতে হবে। এটাই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ভিত্তি।

স্বাস্থ্য সচিব মো. সাইদুর রহমান বলেন, “আমরা যারা করোনাকালে শ্বাসকষ্টে ভুগেছি, তারা অক্সিজেনের গুরুত্ব বুঝি। তখন এর ঘাটতি কত ভয়াবহ ছিল, তা কেবল হাসপাতালেই অনুভব করা যায়। এখনও অনেক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। আমরা সেই অভাব দ্রুত দূর করার দায়িত্ব নিচ্ছি।”

সম্মেলনে বাংলাদেশের অক্সিজেন চাহিদা, প্রাপ্যতা, নীতিমালা, বিনিয়োগ, গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে বিস্তৃত বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি ‘ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ কমিশন অন মেডিকেল অক্সিজেন সিকিউরিটি’ প্রতিবেদনের আলোকে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

আয়োজকদের মতে, মেডিকেল অক্সিজেন হলো অপরিহার্য জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। কিন্তু এর ধারাবাহিক প্রাপ্যতা এখনো অনেক দেশে বড় চ্যালেঞ্জ। কোভিড মহামারি এই প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করেছে। তবুও এর ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি ও বৈষম্য রয়ে গেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, চিকিৎসাক্ষেত্রে অক্সিজেনের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে, কিন্তু সরবরাহের সক্ষমতা এখনও সীমিত। তাই জীবন বাঁচাতে ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

ল্যানসেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্সিজেন সেবা ও পালস অক্সিমিটার ব্যবহারে এখনো অনেক পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যয় বহন করতে হয়। তাই সরকারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, এই সেবাগুলোকে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার আওতায় এনে ব্যবহার ফি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..