সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছানো ইনিংসও রংপুর রাইডার্সকে রক্ষা করতে পারল না। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সব আলো কেড়ে নিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে দাপুটে জয় এনে দিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। এই দুই ব্যাটারের নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে রংপুরকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে রাজশাহী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে রংপুর নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ১৭৮ রান। জবাবে মাত্র ৫ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় রাজশাহী। তবে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন শান্ত ও ওয়াসিম। তাদের দৃঢ় ও সাবলীল ব্যাটিংয়ে ম্যাচ একপেশে রূপ নেয়। বড় লক্ষ্য হলে হয়তো দুজনের একজনের সেঞ্চুরি দেখা যেত—এমন আক্ষেপই থেকে যায়। শান্ত ৪২ বলে ৭৬ রান করে আউট হলে ভাঙে দ্বিতীয় উইকেটে গড়া ১৪২ রানের বিশাল জুটি। অপর প্রান্তে ওয়াসিম ৫৯ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের সহজ জয় পায় রাজশাহী।
এর আগে বিপিএলের ২১তম ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রংপুর শুরুটা ভালো করতে পারেনি। ইনিংসের মাঝপথে ৭২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি। বিশেষ করে ইফতিখার আহমেদের ধীরগতির ইনিংস (১৫ বলে ৮ রান) রান সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি করে।
এই সংকটময় মুহূর্তে দলের হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয় ও খুশদিল শাহ। চতুর্থ উইকেটে এই দুই ব্যাটার গড়ে তোলেন ১০৫ রানের বড় জুটি। ম্যাচের গতি পুরোপুরি বদলে যায় রিপন মণ্ডলের করা ১৯তম ওভারে, যেখানে হৃদয় ও খুশদিল মিলিয়ে হাঁকান চারটি ছক্কা এবং সংগ্রহ করেন ২৮ রান।
শেষ ওভারে খুশদিল শাহ ২৯ বলে ৪৪ রান করে আউট হলেও তাওহীদ হৃদয় ছিলেন অটল। ৫৬ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন তিনি। তবে তার সেই দুর্দান্ত ইনিংস শেষ পর্যন্ত দলকে জেতাতে যথেষ্ট হয়নি।