1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
গাজায় গণহত্যা: ২০ হাজার শিশু ও ১২ হাজার নারী নিহত - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন মশার কয়েল জ্বালাতে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক দম্পতি

গাজায় গণহত্যা: ২০ হাজার শিশু ও ১২ হাজার নারী নিহত

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৮৪ বার পঠিত
গাজায় গণহত্যা

গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত ৭০০ দিনের সামরিক আগ্রাসনে প্রায় সমগ্র ভূখণ্ড নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে। গাজা প্রশাসনের গণমাধ্যম শাখার তথ্যে বলা হয়েছে, অবকাঠামোর অন্তত ৯০ শতাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৬ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। খবর জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এ হামলা কেবল ধ্বংসযজ্ঞ নয়, বরং পরিকল্পিত গণহত্যা ও জোরপূর্বক স্থানচ্যুতির অংশ। এখন পর্যন্ত নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৩ হাজার ৭০০ জনে। এর মধ্যে ২০ হাজার শিশু ও ১২ হাজার ৫০০ নারী। অন্তত ২ হাজার ৭০০ পরিবার সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার ৬৭০ চিকিৎসাকর্মী, ২৪৮ সাংবাদিক, ১৩৯ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং ১৭৩ পৌরসভার কর্মকর্তা। আরও অন্তত ১ লাখ ৬২ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকে অঙ্গচ্ছেদ, পক্ষাঘাত কিংবা দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে আজীবনের জন্য অক্ষম হয়ে পড়েছেন।

ইসরায়েলি হামলায় ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ ও ১৬৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। পাশাপাশি হাজারো সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

গাজা প্রশাসনের অভিযোগ, কেবল ঘরবাড়ি ভেঙেই ইসরায়েল থেমে নেই, বরং গাজা সিটি ও উত্তরাঞ্চলের অধিবাসীদের ঘরে ফেরার সুযোগও দিচ্ছে না। একই সঙ্গে খাদ্য অবরোধ চালিয়ে ‘ক্ষুধাকে অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শত শত ত্রাণবাহী ট্রাক আটকে দেওয়া হয়েছে। এতে ২৪ লাখ মানুষ, যার মধ্যে ১০ লাখ শিশু, দুর্ভিক্ষের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

গণমাধ্যম শাখা ইসরায়েলের মিত্র রাষ্ট্রগুলোকে, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রকে, এ হামলার জন্য দায়ী করেছে। তারা আরব ও ইসলামি দেশগুলোসহ আন্তর্জাতিক মহল ও জাতিসংঘকে আহ্বান জানিয়েছে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করা, অবরোধ তুলে নেওয়া, বাস্তুচ্যুতদের ঘরে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ইসরায়েলি নেতাদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আওতায় আনার জন্য।

এদিকে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) গাজায় ‘গণহত্যার যুদ্ধের’ ৭০০তম দিনে নিহতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৩০০ ছাড়ায়। পুরো এলাকা এখন দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি।

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সঙ্গে দেশটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..